বিভাগীয় সংবাদ রংপুর স্লাইডার

এরশাদ না থাকায় কমে গেল রংপুরে গরু কোরবানি

জুমবাংলা ডেস্ক : প্রতিবছর রংপুরে নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করতেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রংপুর মহানগরীসহ বিভিন্ন স্থানে ১৫ থেকে ২০টি গরু কোরবানি দিতেন। কিন্তু সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যানের মৃ’ত্যুর পর মাত্র দুটি গরু কোরবানি করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় এই নেতার মৃ’ত্যুর সঙ্গে সঙ্গে গরু কোরবানির সংখ্যা কমে যাওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে দলের সাধারণ কর্মীসহ এরশাদ ভক্তদের মাঝে।

সোমবার সকালে রংপুরের পল্লী নিবাসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদসহ সাত জনের নামে দুটি গরু কোরবানি করা হয়।
এছাড়া প্রতিবারের মতো এবার আর বিভিন্ন স্থানে ও সংগঠনে গরু কোরবানি করা হয়নি। এমনকি বর্তমান দলীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরসহ পরিবারের পক্ষ থেকে জীবদ্দশায় এরশাদের দেয়া ব্যক্তি ও সংগঠনে এবার গরু সরবরাহ করেন কেউ। তবে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর মহানগরের সভাপতি সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান নগরীর এরশাদ নগর ও রিকশা শ্রমিক পার্টির অফিসে এরশাদের পক্ষ থেকে দুটি গরু কোরবানি করেন।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, স্যার (এরশাদ) ১৬টি গরু বিভিন্ন জায়গায় কোরবানি দিতেন। আমার সেই সামর্থ্য নেই। তবুও ক্ষুদ্র সামর্থ্যের জন্য স্যারের রুহের মাগফেরাত কামনায় আমি তার প্রতিষ্ঠিত এরশাদ নগর এবং শাপলা চত্বরে রিকশা শ্রমিক পার্টির জন্য দুটি গরু কিনে কোরবানি দিয়েছি।

রংপুর মহানগর জাপার দপ্তর সম্পাদক কাজী জাহিদ হোসেন লুসিড বলেন, ‌‌এরশাদ স্যার প্রতিবছর যেসব জায়গাতে এবং সংগঠনে কোরবানির জন্য গরু কিনে দিতেন, এবার তা হয়নি। স্যারের মৃ’ত্যুর কারণে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে পল্লী নিবাসে ও স্কাই ভিউতে গরু কোরবানি করা হয়েছে। এছাড়াও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক দলীয় কার্যালয়ে একটি গরু কোরবানি দিয়েছেন। সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন



জুমবাংলানিউজ/এসআর




আপনি আরও যা পড়তে পারেন


সর্বশেষ সংবাদ