Views: 8

লাইফস্টাইল

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের ভুষির বিকল্প নেই

ইসবগুলের ভুষি

লাইফস্টাইল ডেস্ক : এখনকার কর্মব্যস্ত জীবনে স্ট্রেস যত বাড়ছে, খাওয়াদাওয়ার অভ্যেস যত পাল্টাচ্ছে, ততই বাড়ছে কোষ্ঠকাঠিন্য৷ তাই আর আগেকার দিনের মতো বয়স্করাই নন, এখন কমবয়সিরাও ভুগছেন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায়৷

অন্য কোনও রোগবিসুখ যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ না-হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে ইসবগুল মহৌষধি৷ বাজারে অনেকরকমের ইসবগুল পাওয়া যায়৷ বিভিন্ন কোম্পানির ব্র্যান্ডে৷ কোনওটাতে দেখবেন, ইসবগুলের সঙ্গে ত্রিফলা মেশানো৷ কোনওটাতে আবার সেনা পাওডার দেওয়া৷ প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই ত্রিফলা বা সেনা কোষ্ঠকাঠিন্যে খুবই উপকারি৷ তবে এতসবের মধ্যে না-গিয়ে একেবারে সাদামাটা ইসবগুল খান রাতে৷ গরমজল বা গরমদুধ দিয়ে খেতে পারলে ভাল৷ না-পারলেও ক্ষতি নেই৷ ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে রেখে খান৷ তাতেও উপকার পাবেন৷

মনে রাখবেন, এই ইসবগুল কোনও অভ্যেস তৈরি করে না৷ খাবারে মধ্যে দিয়ে আমাদের যে-রাফেজ পাওয়ার কথা, তা আমরা ঠিকঠাক পাই না৷ তাই তার সাপ্লিমেন্ট হিসেবেই এই ইসবগুল৷ এতে প্রচুর পরিমাণে রাফেজ রয়েছে৷ যা পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে৷

তবে মনে রাখবেন, এই ইসবগুল কিন্তু পুরোপুরি প্রাকৃতিক৷ এতে কোনও ম্যাজিক উপাদান লুকনো নেই৷ তাই ইচ্ছে হল একদিন খেলেন, আবার ইচ্ছে হল খেলেন না, তাতে করে কিন্তু কাজ হবে না৷ আপনাকে নিয়মিত খেয়ে যেতে হবে৷
বলাই বাহুল্য, এর কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই৷ তাই জীবনভর খেয়ে গেলেও কোনও সমস্যা নেই৷ আসলে, আমাদের এখনকার ফাস্টফুড নির্ভর জীবনে, আমরা যা খাই, তাতে রাফেজের পরিমাণ এতই কম থাকে যে, কোষ্ঠবদ্ধতা দেখা দেয়৷ আর সেই কারণেই দরকার হয় ইসবগুলের৷

আর হ্যাঁ, যতটা পারেন সবজি খান৷ ডাল খান৷ ফল খান৷ তবে মনে রাখবেন, খুব বেশি শাক-সবজি বা ফল একদিনে খেয়ে নিলে হিতে বিপরীত হতে পারে৷ গ্যাস-অম্বল হয়ে যেতে পারে৷ তাই সেক্ষেত্রে ইসবগুল খান নিয়মিত৷ পারলে রোজ৷ আর জল খান দরকার মতো৷

তবে তাতেও যদি কাজ না-হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন৷