আন্তর্জাতিক ওপার বাংলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার ‘জীবিত না মৃত’ স্পষ্ট নয়

Dark Mode

সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চন্দ্রপৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি গিয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় ভারতের চন্দ্রযান-২ এর ল্যান্ডার বিক্রমের। এতে ব্যর্থ হয়ে যায় ভারতের চন্দ্রাভিযান। তবে আশা ছাড়েননি দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো’র বিজ্ঞানীরা। তারা ওই ল্যান্ডারের অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছেন।

এরই মধ্যে ল্যান্ডার বিক্রমের কিছু ছবি পাওয়ার দাবি করে ইসরো। ইসরো প্রধান কে শিবন জানান, কক্ষপথে ঘুরতে থাকা অরবিটার ল্যান্ডারের কিছু ছবি পাঠিয়েছে, সেগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে- চাঁদের মাটিতেই রয়েছে।
কিন্তু সেটি ‘জীবিত না মৃত’ তা নিয়েই চলছে আলোচনা। এরই মধ্যে অনেকে ইসরোর বরাত দিয়ে সেটিকে জীবিত হিসেবেই উল্লেখ করছে।

তবে ভারতের ইন্টার-ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (পুনে)-এর ডিরেক্টর সোমক রায় চৌধুরী বলেছেন, যে তাপচিত্র পাওয়া গেছে তাতে স্পষ্ট নয় কিছু, অপেক্ষা করতে হবে আরও।

আনন্দবাজারে প্রকাশিত সোমক রায় চৌধুরী তার ওই বিশেষ প্রতিবেদনে বলেন, লোকে যা পাচ্ছে, বানাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইনে যা দেখছি, বেশির ভাগই ভুল তত্ত্ব। যে থার্মাল ইমেজ মিলেছে, সেটা রিয়েল-টাইম হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ অরবিটার এক জায়গা থেকে নয়, ঘুরে ঘুরে ছবি পাঠাচ্ছে। নির্দিষ্ট একটা পয়েন্টে ফিরে আসতে অনেকটা সময় লাগার কথা।

অপটিক্যাল হাই-রেজুলিউশন ছবি যত ক্ষণ না পাওয়া যাচ্ছে, কিছুই বলা সম্ভব নয়। বলা হচ্ছে, ওই তাপচিত্রে ল্যান্ডারের ‘লোকেশন’ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু অবস্থানটা ঠিক কোথায়, ইসরো তা স্পষ্ট করেনি।

‘ইসরোর সূত্র’ উল্লেখ করে লোকে বলে যাচ্ছে, সব যন্ত্রপাতি নাকি একদম ঠিকঠাক আছে। এর ভিত্তি কী? ল্যান্ডার দাঁড়িয়ে আছে, না মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছে— সেটাই তো স্পষ্ট নয়!

রোভারে থাকা যন্ত্রগুলো যদি সব কাজ করে, সে তো খুবই ভাল কথা। কিন্তু ওদের কাজ করতে হলে তো রেডিয়ো-কমিউনিকেশন সাপোর্ট দরকার! সেই লিঙ্কই তো নেই। ধরে নিলাম, সব যন্ত্র সুরক্ষিত। কাজও করছে, কিন্তু ইসরোর সঙ্গে তো তাদের কোনও বার্তা চালাচালি হচ্ছে না। যন্ত্র ছবি তুলল, কিন্তু তা পাঠাতে না-পারলে লাভ কী? এখন তাই গুজবে কান দেওয়া নয়, অপেক্ষা করে থাকা ছাড়া উপায় নেই।

এমন একটা জটিল পথে চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছনোটাই অভূতপূর্ব। আমাদের চন্দ্রযানের সঙ্গে নাসা এবার রিফ্লেক্টর পাঠিয়েছে। এত কম খরচে ইসরোর সাফল্য সারাবিশ্বের নজর কেড়েছে। শুধু নাসা নয়, এবার সবাই সাহায্য চাইবে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০০’র মতো বিদেশি উপগ্রহ পাঠিয়েছে ইসরো। এত কম দামি লঞ্চারের সাহায্য নিতে কে না চাইবে! সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।



জুমবাংলানিউজ/এসআর

সর্বশেষ সংবাদ




আপনি আরও যা পড়তে পারেন


জনপ্রিয় খবর

Add Comment

Click here to post a comment

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় খবর